রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় বৈধ কাগজ না দেখাতে পারায় কাটমানির অভিযোগে জমি ফেরত প্রকৃত মালিককে
নিজস্ব সংবাদদাতা: বাংলায় আবার লজ্জাজনক ঘটনা। রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় জমির বৈধ কাগজ দেখাতে অপারগ হওয়ায় কাটমানির অভিযোগ ওঠা জমি ফেরত দিতে বাধ্য হলেন ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিক।
নিজস্ব সংবাদদাতা: বাংলায় আবার লজ্জাজনক ঘটনা। রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় জমির বৈধ কাগজ দেখাতে অপারগ হওয়ায় কাটমানির অভিযোগ ওঠা জমি ফেরত দিতে বাধ্য হলেন ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিক।
রায়গঞ্জের রূপকার, মাননীয় বিধায়ক শ্রী মোহিত সেনগুপ্ত মহাশয়ের নেতৃত্বে জাতীয় কংগ্রেসের যে আন্দোলন ও পথসভা গত কয়েকদিন আগে এই রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে করা হয়েছিল, এবং ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিক কে এ বিষয়ে তদন্ত করে দেখবার কথা বলা হয়েছিল। তাছাড়াও জেলাশাসকের দপ্তরে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছিল আজ তা সত্যে পরিণত হল।
জানা যায়, দুর্নীতিপরায়ন রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় তাদের স্বপক্ষে জমির কোন বৈধ কাগজপত্র ভূমি দপ্তরের আধিকারিকের নিকট পেশ করতে পারেননি। ভূমি সংস্কার দপ্তর তদন্ত সাপেক্ষে, প্রকৃত জমির মালিককে আবার উক্ত জমি সংক্রান্ত সমস্ত কাগজপত্র সঠিক করে সেই জমির মালিকানার বৈধ কাগজ তার হাতে তুলে দেন। এবং কি করে এই অবৈধভাবে জমির কাগজ তৈরি করা হয়েছিল তার তদন্ত করা হবে বললেন আধিকারিক মহাশয় শ্রী প্রদীপ গিরি।
প্রকৃত জমির মালিককে তার বৈধ মালিকানার কাগজ ফেরত দেওয়ার জন্য ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের এই প্রক্রিয়াকে আমরা সাধুবাদ জানাই, বললেন মোহিত সেনগুপ্ত মহাশয়।
প্রকৃত জমির মালিকের কাগজপত্র জাল করে, রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় অসৎ উদ্দেশ্যে নিজেদের নামে যে করে নিয়েছিলেন, সেটা প্রমাণ হয়ে গেল। মাননীয় বিধায়ক মোহিত সেনগুপ্ত মহাশয়ের অভিযোগ যে সত্য ছিল, তাও প্রমাণ হয়ে গেল।
সত্যের জয় দেরিতে হলেও সর্বদাই সত্যিই হয় তা প্রমাণ হল। রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ দুর্নীতিগ্রস্ত।
বলে না চোরের মায়ের বড় গলা। বড় বড় কথা বলছিল তারা। মাননীয় বিধায়কের নামে তারা আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে মিথ্যা কথা ও বদনাম রটানোর অজুহাতে।
মিডিয়াকে আরো নানান বাজে কথা বলেছিল এই সত্যবাদী, সত্যের প্রতীক, সততার প্রতীক রায়গঞ্জের রপকার মাননীয় বিধায়ক শ্রী মোহিত সেনগুপ্তের বিরুদ্ধে। মাননীয় বিধায়ক এ বিষয়ে বলেন তারা কোন অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে এই জমির কাগজপত্র ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর থেকে যে কোন উপায় জাল করে নিজেদের নামে করেছিল। কিন্তু একমাত্র জাতীয় কংগ্রেসের বাধা দানের ফলে তাদের এই অসাধু চক্রান্ত সাফল্যমন্ডিত করতে পারলো না হাতেনাতে তা প্রমাণ হয়ে গেল।
এই ধরনের অসাধু চক্রান্ত সমূলে বিনাশ করার জন্য আমাদের সমস্ত জাতীয় কংগ্রেস কর্মী ও সমর্থকরা সর্বদাই সজাগ ছিল, আছে এবং আগামীদনেও থাকবে। অসহায়, নিপীড়িত, অত্যাচারিত ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে আমরা সবসময় থাকি এবং আগামী দিনেও আমরা থাকবো এটাই জাতীয় কংগ্রেসের রীতি এবং নীতি।
তিনি আরো বলেন, এটা লজ্জাজনক ঘটনা, শিক্ষার নামে এরা কলঙ্ক। যারা সমাজ গড়ার কাজ করেন তারাই আজ দুর্নীতিপরায়ন। এরা প্রচুর সাধারণ মানুষের জমি এবং টাকা নয়ছয় করে আত্মসাৎ করেছেন তা বাস্তবে পরিণত হল। প্রকৃত জমির মালিক হলেন শ্রী নারায়ন চন্দ্র দাস।
Raiganj University not show Valid Land Papers - Land Returned to Real Land owner.
Comments
Post a Comment