Skip to main content

দিশাহীন বাজেট এবং কর্মসংস্থানের কোন সঠিক দিশা নেই - মোহিত সেনগুপ্ত


Budget for India 2019 is completely devoid of the people of the common people, peasants, workers and working people, teachers, students, women & children and there is no proper direction of employment - said our beloved leader and MLA of Raiganj, Mr. Mohit Sengupta
2019 সালের জন্য ভারতের বাজেট ঘোষণাঃ-

এককথায় এবারের বাজেট দেশের সাধারণ মানুষ, কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের দিক থেকে পুরোপুরি দিশাহীন এবং কর্মসংস্থানের কোন সঠিক দিশা নেই - বলেছেন জননেতা মোহিত সেনগুপ্ত।

দেশের বাজেট কাটছাঁট এখন ঐতিহ্য হয়ে গেছে। অবশ্য নিয়ম অনুযায়ী বাজেট ঘোষণা করা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রত্যেকবারই কাটছাঁট করে ছোট করা হয়। এছাড়া প্রকৃত বাজেট বাস্তবায়নে দেখা গেছে আরও কম হয়। এর কারণ হচ্ছে অতি উচ্চাভিলাষী বাজেট ঘোষণা করে মোদীজী মনে করছেন বড় বাজেট দিতে পারলে বাহবা পাওয়া যাবে।

কারণ এই বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে সাধারণ মানুষ মাথা ঘামায় না। তিনি মনে করেন, বাস্তবায়নযোগ্য বাজেট ঘোষণার জন্য প্রয়োজন রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি। সেদিক বিবেচনা করে আয়ের লক্ষ্যমাত্রার সাপেক্ষে ব্যয় নির্ধারণ করা দরকার। তাহলেই বাজেট পুরোপুরি বাস্তবায়ন হবে। অন্যথায় গতবার এ ধরনের কাটছাঁট করায় পুরো প্রক্রিয়ায় একধরনের প্রশ্নচিহ্ন থেকেই যাচ্ছে এবং এবারের বাজেট প্রণয়নে অনেক দুর্বলতা লক্ষণীয়। বাজেটের ঘাটতি অর্থায়নের আরেকটি বড় উৎস হচ্ছে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ গ্রহণ। সেক্ষেত্রেও এবারের বাজেটে ধামাচাপা প্রকট।

তাই বড় বড় ডায়ালগ নয়, আমরা সাধারণ মানুষ চাই বড় বড় কাজ। চাই এই বাজেট হোক কৃষক-শ্রমিক-শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাধারণ মানুষ, নারী-শিশু সহ সর্বস্তরের সকলের মনের মত; অবিরত যেন এগিয়ে যেতে পারে আমাদের দেশ।
Budget for India 2019 Completely devoid - No Proper direction of employment - Mohit Sengupta

Comments

Popular posts from this blog

রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় রুপায়নে ও উন্নয়নে মোহিত সেনগুপ্তের নামে কুৎসা রটানোর চেষ্টা

রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় রুপায়নে ও উন্নয়নে  মোহিত সেনগুপ্তের   নামে  কুৎসা রটানোর চেষ্টা । The implementation and development of Raiganj University some stalwarts are trying to spread slander in the name of Mohit Sengupta. মাননীয় বিধায়ক মোহিত সেনগুপ্ত মহাশয় সম্পর্কে কিছু বক্তব্য। আজীবন আপোষহীন সাম্রাজ্যবাদ আধিপত্যবাদ বিরোধী সংগ্রাম ও জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মহান জননেতা রায়গঞ্জের রূপকার শ্রী মোহিত সেনগুপ্ত। রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন দিকের মধ্যে অতীব বৈশিষ্ট্যমন্ডিত দিক হচ্ছে প্রতিক্রিয়াশীল সমাজ ও পরিবেশের মাঝে তার রাজনীতি সঠিকভাবে প্রয়োগে পিছপা হতে আমরা কখনো দেখিনি। তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের একনিষ্ঠ সৈনিক। আমরা দেখেছি, গরীব মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ও সার্বিক সমাজ প্রগতি অর্জনে তার প্রচেষ্টা আজও নিরলস এবং বহমান। তিনি আজ পর্যন্ ত লাগাতার অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে চলেছেন আগামী দিনেও তা অব্যাহত থাকবে, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।  কারণ এই অকৃতদার ব্যক্তির তার কোনো পিছুটান নেই, আজ তার পরিবার সারাবাংলা তথা মাতৃভূমি ভারতবর্ষ। তিনি এখন আমার, আপন...

রায়গঞ্জের রাধাগোবিন্দ মন্দিরের বার্ষিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন বিধায়ক মোহিত সেনগুপ্ত

রায়গঞ্জের রাধাগোবিন্দ মন্দিরের বার্ষিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন বিধায়ক শ্রী মোহিত সেনগুপ্ত। আজকে রায়গঞ্জের রূপকার মাননীয় বিধায়ক শ্রী মোহিত সেনগুপ্ত মহাশয় রায়গঞ্জের এলআইসি মোড়ের পাশে রাধাগোবিন্দ মন্দিরে বার্ষিক অনুষ্ঠানে তাদের আমন্ত্রণে উপস্থিত হন। উক্ত মন্দির কমিটির সদস্যরা তাকে ফুলের মালা ও কপালে চন্দনের ফোটা দিয়ে সাদরে বরণ করেন এবং ভক্তগনের মধ্যে মায়েরা উলুধ্বনি দিয়ে বরণ করে নেন ও সম্বর্ধনা দেন। উপস্থিত ছিলেন ভক্তগন ও মন্দির কমিটির সদস্য সুবল সরকার ও অমল বাবু এবং বৈদ্যনাথ বাবু। তারা মন্দির সংস্কারের জন্য উদ্যোগ নিয়েছেন এবং বিধায়কের কাছে মন্দির সংস্কারের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়ানোর আবেদন করেছেন। মাননীয় বিধায়ক উপস্থিত মন্দির কমিটির সদস্যদের বলেন যে সরকারিভাবে মন্দির বা মসজিদে সরাসরি কোনো রকম অর্থ সরবরাহ করা যাবেনা, নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবুও আমি চেষ্টা করবো যাতে অন্য কোন ভাবে যদি সাহায্য করা যায় আপনাদের মন্দিরের জন্য। আমি আমাদের সাংসদ কোটার ভিত্তিতে এই মন্দির নির্মাণের সহযোগিতা করার চেষ্টা করবো। কারণ রায়গঞ্জে বয়স্ক মানুষদের থাকার জায়গা নির্দিষ্ট কোন স্থান নেই...

কাটজমি দুর্নীতির অভিযোগ - নথি দেখাতে ব্যর্থ রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়।

কাটজমি দুর্নীতির অভিযোগ - নথি দেখাতে ব্যর্থ রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়। (কাটমানি নিয়ে জেলা শাসকের কাছে একটি ডেপুটেশনের ছবি গত ৪ তারিখের।) নিজস্ব সংবাদদাতা : রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় ভুয়ো কাগজপত্র দেখিয়ে প্রায় ৩০ শতক জমি দখলের অভিযোগে এখন রায়গঞ্জ উত্তর দিনাজপুর জেলার ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের অফিসের কাঠগোড়ায়। অভিযোগ করেছেন উত্তর দিনাজপুর জেলার অন্তর্গত রায়গঞ্জ শহরের বীরনগরের বাসিন্দা শ্রী নারায়ন চন্দ্র দাশ মহাশয়। তিনি পরিষ্কার অভিযোগ করেন তার জমির দাগ নম্বর পাল্টে ২০১৭ সালে এই মিউটেশন করা হয়েছে এবং রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমার জমি জবরদখল করে রেখেছে। ভূমি সংস্কার দপ্তরের নিকট জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার এই জমি সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে শুনানির জন্য দুই তরফের প্রতিনিধিকে ডাকা হয়েছিল ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিকের সামনে। জমির অভিযোগকারী নারায়ণ চন্দ্র দাস এর তরফ থেকে জমির সমস্ত নথি দেখানো হলেও, বিশ্ববিদ্যালয় কোন জমি সংক্রান্ত কোনো অনুমতিপত্র বা নথিপত্র দেখাতে পারেনি। বি,এল,আর,ও সাহেব শ্রী প্রদীপ গিরি বাবু বলেন, দুপুর তিনটে নাগাদ হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল ...