Skip to main content

If the corridor starts, it will take only two hours to go to Meghalaya, India's Hili and Bangladesh. - The Chief Minister of Meghalaya is zealous and active about this issue


করিডর চালু হলে ভারতের হিলি ও বাংলাদেশ হয়ে মেঘালয়ে যেতে সময় লাগবে মাত্র ২ ঘন্টা। - এই বিষয়ে উদ্যোগী এবং তৎপর হলেন মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী।

ভারতবর্ষের নতুন কমিটির পথ বাণিজ্য পথ খোলার জন্য ভারত সরকার একটি আন্তর্জাতিক সুপার স্পিড সড়ক যোজনা চালু করেছেন।
পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি হয়ে বাংলাদেশের ফুলবাড়ী গাইবান্ধা, মহেন্দ্রগঞ্জ তুরা মেঘালয় করিডর চালু বিষয়ে উদ্যোগী হলেন মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা।
যদিও এই ধরনের প্রকল্প অনেক আগেই জহরলাল নেহেরুর প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন আন্তর্জাতিক সড়কপথ যোজনা প্রস্তাব হয়েছিল এবং সংসদে সেটি পাস‌ও হয়েছিল এবং পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী শ্রী বিধান চন্দ্র রায়ের উদ্যোগে এই ধরনের আন্তর্জাতিক পথের সূচনা হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বিভিন্ন প্রান্তিক দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার পরিকাঠামো তৈরি হয়েছিল বিধান রায়ের আমলে।
তার ফলে ভারত - পাকিস্তান অধুনা বাংলাদেশ, হিলি  হয়ে এবং ভারত - নেপাল সড়ক যোগাযোগ পথ চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
বাংলাদেশের প্ল্যানিং কমিশন ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্ট ডেভলপমেন্ট পলিসি কমিটি 2012 সালের জুন মাসে ভারত সরকারের কাছে করিডর সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট জমা দেয় ওই রিপোর্টে এক নম্বরে স্থান ছিল হিলি - মহেন্দ্রগঞ্জ ভায়া বাংলাদেশ করিডোর।
হিলি মহেন্দ্রগঞ্জ বাংলাদেশ করিডর চালু হলে উত্তর পূর্ব ভারতের দূরত্ব ৭০০ কিলোমিটার থেকে কমে গিয়ে হবে মাত্র ১০০ কিলোমিটার। দেশভাগের ফলে এই দূরত্ব বেড়ে যায় কিন্তু যদি এই করিডর তৈরি হলে হিলি থেকে বর্তমান বাংলাদেশের পলাশবাড়ী গাইবান্ধা হয়ে মেঘালয়ের মহেন্দ্রগঞ্জের দূরত্ব মাত্র 100 কিলোমিটার।
কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পেশ করা নেশনাল ট্রান্সপোর্ট ডেভলপমেন্ট পলিসি কমিটির রিপোর্টে এই কোডের অবশ্যই বলে উল্লেখ করা আছে কিন্তু এখনো পর্যন্ত এই করিডোরের কোন ব্যবস্থা হয়নি।
এই করিডোরের জন্য বাংলাদেশ সরকারের তরফ থেকেও ভারতবর্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে।
তাই এই বিষয়ে মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী বিশেষভাবে উদ্যোগী হয়েছেন তিনি বলেন কলকাতা থেকে শিলিগুড়ি গোহাটি হয়ে মেঘালয় যেতে প্রায় আড়াই হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিতে হয় কিন্তু দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি হয়ে বাংলাদেশের ফুলবাড়ী গাইবান্ধা মহেন্দ্রগঞ্জ করিডর চালু হলে মাত্র 100 কিলোমিটার রাস্তা পাড়ি দিয়ে মেঘালয় পৌঁছানো সম্ভব। এর ফলে শুধু দক্ষিণ দিনাজপুর উত্তর দিনাজপুর নয় গোটা উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রভূত উন্নতি ঘটবে তাই তিনি দিল্লির সংসদ ভবনে উত্তর পূর্ব ভারত উন্নয়ন এবং প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর বিষয়ক মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং এর হাতে এই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট মহকুমার হিলি থেকে বাংলাদেশের ফুলবাড়ী, গাইবান্ধা হয়ে মেঘালয় করিডর চালু করার দাবি সনদ তুলে দেন এবং বলেন উত্তর-পূর্ব ভারতে বাণিজ্য ক্ষেত্র প্রভূত উন্নতি ও প্রসার ঘটবে এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রী কাছেও তারা এ বিষয়ে একটি দাবিপত্র পেশ করেছেন। 

Comments

Popular posts from this blog

রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় রুপায়নে ও উন্নয়নে মোহিত সেনগুপ্তের নামে কুৎসা রটানোর চেষ্টা

রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় রুপায়নে ও উন্নয়নে  মোহিত সেনগুপ্তের   নামে  কুৎসা রটানোর চেষ্টা । The implementation and development of Raiganj University some stalwarts are trying to spread slander in the name of Mohit Sengupta. মাননীয় বিধায়ক মোহিত সেনগুপ্ত মহাশয় সম্পর্কে কিছু বক্তব্য। আজীবন আপোষহীন সাম্রাজ্যবাদ আধিপত্যবাদ বিরোধী সংগ্রাম ও জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মহান জননেতা রায়গঞ্জের রূপকার শ্রী মোহিত সেনগুপ্ত। রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন দিকের মধ্যে অতীব বৈশিষ্ট্যমন্ডিত দিক হচ্ছে প্রতিক্রিয়াশীল সমাজ ও পরিবেশের মাঝে তার রাজনীতি সঠিকভাবে প্রয়োগে পিছপা হতে আমরা কখনো দেখিনি। তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের একনিষ্ঠ সৈনিক। আমরা দেখেছি, গরীব মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ও সার্বিক সমাজ প্রগতি অর্জনে তার প্রচেষ্টা আজও নিরলস এবং বহমান। তিনি আজ পর্যন্ ত লাগাতার অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে চলেছেন আগামী দিনেও তা অব্যাহত থাকবে, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।  কারণ এই অকৃতদার ব্যক্তির তার কোনো পিছুটান নেই, আজ তার পরিবার সারাবাংলা তথা মাতৃভূমি ভারতবর্ষ। তিনি এখন আমার, আপন...

রায়গঞ্জের রাধাগোবিন্দ মন্দিরের বার্ষিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন বিধায়ক মোহিত সেনগুপ্ত

রায়গঞ্জের রাধাগোবিন্দ মন্দিরের বার্ষিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন বিধায়ক শ্রী মোহিত সেনগুপ্ত। আজকে রায়গঞ্জের রূপকার মাননীয় বিধায়ক শ্রী মোহিত সেনগুপ্ত মহাশয় রায়গঞ্জের এলআইসি মোড়ের পাশে রাধাগোবিন্দ মন্দিরে বার্ষিক অনুষ্ঠানে তাদের আমন্ত্রণে উপস্থিত হন। উক্ত মন্দির কমিটির সদস্যরা তাকে ফুলের মালা ও কপালে চন্দনের ফোটা দিয়ে সাদরে বরণ করেন এবং ভক্তগনের মধ্যে মায়েরা উলুধ্বনি দিয়ে বরণ করে নেন ও সম্বর্ধনা দেন। উপস্থিত ছিলেন ভক্তগন ও মন্দির কমিটির সদস্য সুবল সরকার ও অমল বাবু এবং বৈদ্যনাথ বাবু। তারা মন্দির সংস্কারের জন্য উদ্যোগ নিয়েছেন এবং বিধায়কের কাছে মন্দির সংস্কারের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়ানোর আবেদন করেছেন। মাননীয় বিধায়ক উপস্থিত মন্দির কমিটির সদস্যদের বলেন যে সরকারিভাবে মন্দির বা মসজিদে সরাসরি কোনো রকম অর্থ সরবরাহ করা যাবেনা, নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবুও আমি চেষ্টা করবো যাতে অন্য কোন ভাবে যদি সাহায্য করা যায় আপনাদের মন্দিরের জন্য। আমি আমাদের সাংসদ কোটার ভিত্তিতে এই মন্দির নির্মাণের সহযোগিতা করার চেষ্টা করবো। কারণ রায়গঞ্জে বয়স্ক মানুষদের থাকার জায়গা নির্দিষ্ট কোন স্থান নেই...

কাটজমি দুর্নীতির অভিযোগ - নথি দেখাতে ব্যর্থ রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়।

কাটজমি দুর্নীতির অভিযোগ - নথি দেখাতে ব্যর্থ রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়। (কাটমানি নিয়ে জেলা শাসকের কাছে একটি ডেপুটেশনের ছবি গত ৪ তারিখের।) নিজস্ব সংবাদদাতা : রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় ভুয়ো কাগজপত্র দেখিয়ে প্রায় ৩০ শতক জমি দখলের অভিযোগে এখন রায়গঞ্জ উত্তর দিনাজপুর জেলার ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের অফিসের কাঠগোড়ায়। অভিযোগ করেছেন উত্তর দিনাজপুর জেলার অন্তর্গত রায়গঞ্জ শহরের বীরনগরের বাসিন্দা শ্রী নারায়ন চন্দ্র দাশ মহাশয়। তিনি পরিষ্কার অভিযোগ করেন তার জমির দাগ নম্বর পাল্টে ২০১৭ সালে এই মিউটেশন করা হয়েছে এবং রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমার জমি জবরদখল করে রেখেছে। ভূমি সংস্কার দপ্তরের নিকট জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার এই জমি সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে শুনানির জন্য দুই তরফের প্রতিনিধিকে ডাকা হয়েছিল ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিকের সামনে। জমির অভিযোগকারী নারায়ণ চন্দ্র দাস এর তরফ থেকে জমির সমস্ত নথি দেখানো হলেও, বিশ্ববিদ্যালয় কোন জমি সংক্রান্ত কোনো অনুমতিপত্র বা নথিপত্র দেখাতে পারেনি। বি,এল,আর,ও সাহেব শ্রী প্রদীপ গিরি বাবু বলেন, দুপুর তিনটে নাগাদ হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল ...