Skip to main content

তিন তালাক বিল মুসলিম মহিলাদের সহায়ক নয় সংসদে বলেন এমপি সুস্মিতা দেব


আসামের প্রদেশের শিলচর লোকসভা কেন্দ্রের জাতীয় কংগ্রেসের সাংসদ মাননীয়া সুস্মিতা দেব মহোদয়া গত শীতকালীন লোকসভা অধিবেশনে 'তিন তালাক বিল' এর উপরে জোরালো বক্তব্য রাখেন।
তিনি বলেন‌, তিন তালাক বিলের আসল উদ্দেশ্য মুসলিম মহিলাদের ক্ষমতায়ন নয়, মুসলিম পুরুষদের দ্বারা দণ্ডিত করা। ক্ষমতায়নের নামে আপনি মুসলিম মহিলাদের একটি ফৌজদারি মামলা দায়ের করা ছাড়া আর কিছুই দিচ্ছেন না।

আসামের শিলচর লোকসভা কেন্দ্রের জাতীয় কংগ্রেস সাংসদ মাননীয়া সুস্মিতা দেব মহাশয়া সংসদের গত শীতকালীন অধিবেশনে (২০১৮) জোড়ালোভাবে বক্তব্য রাখেন। দেখুন সেই ভিডিওটি।
The real purpose of the tri-divorce bills is not to empower Muslim women. To be punished by Muslim men.
In the name of empowerment, you are giving women nothing but a criminal case - National Congress MP Mannia Sushmita Dev, speaking in the winter session of Parliament, last year. Watch that video.

Comments

Popular posts from this blog

রায়গঞ্জ থানার সুভাষগঞ্জের নিহত অমল ঘোষের বাড়িতে আজ অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় বিধায়ক মোহিত সেনগুপ্ত

রায়গঞ্জ থানার সুভাসগঞ্জ পালপাড়া নিবাসী শ্রী অমল ঘোষ গত শনিবার (২০-০৭-২০১৯) অজানা আততায়ীর আক্রমণে নিহত হন বলে খবরে প্রকাশ ও এলাকাবাসীরাও দাবী করছেন। উত্তর দিনাজপুর জেলার সুভাসগঞ্জ গ্রামের পালপাড়া নিবাসী শ্রী অমল ঘোষ গত তারিখ ২০-০৭-২০১৯ রোজ শনিবার নিখোঁজ হওয়ার পরেরদিন তার মৃতদেহ সুভাষগঞ্জের এক খালের ধারে পাওয়া যায়। কিন্তু কিভাবে কে বা কারা এই ঘটনা ঘটাল তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তাই আজকে নিহত অমল ঘোষের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় শোকার্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও তাকে শ্রদ্ধা জানাতে উত্তর দিনাজপুরজেলা কংগ্রেস সভাপতি,  বিধায়ক ও রায়গঞ্জের রূপকার শ্রী মোহিত সেনগুপ্ত মহাশয় উপস্থিত হয়েছিলেন। শোকার্ত পরিবারের পাশাপাশি আরোও অনেক লোকজন ছিলেন তারা প্রত্যেকেই বিধায়কের কাছে দাবী করেন, যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের যেন কঠিন শাস্তি হয়, এই পরিবার যেন সঠিক বিচার পায় এটা দেখবেন। এবং নিহত অমল ঘোষের স্ত্রী বিধায়কের কাছে কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং দাবী করেন, যারা আমার স্বামীকে খুন করেছে তাদের যেন কঠিন শাস্তি হয়। নিহত অমল ঘোষের স্ত্রী ও সন্তান মাননীয় বিধায়ক বলেন, আজকে যে ঘটনা ঘটেছে এটা খুব ...

রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় রুপায়নে ও উন্নয়নে মোহিত সেনগুপ্তের নামে কুৎসা রটানোর চেষ্টা

রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় রুপায়নে ও উন্নয়নে  মোহিত সেনগুপ্তের   নামে  কুৎসা রটানোর চেষ্টা । The implementation and development of Raiganj University some stalwarts are trying to spread slander in the name of Mohit Sengupta. মাননীয় বিধায়ক মোহিত সেনগুপ্ত মহাশয় সম্পর্কে কিছু বক্তব্য। আজীবন আপোষহীন সাম্রাজ্যবাদ আধিপত্যবাদ বিরোধী সংগ্রাম ও জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মহান জননেতা রায়গঞ্জের রূপকার শ্রী মোহিত সেনগুপ্ত। রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন দিকের মধ্যে অতীব বৈশিষ্ট্যমন্ডিত দিক হচ্ছে প্রতিক্রিয়াশীল সমাজ ও পরিবেশের মাঝে তার রাজনীতি সঠিকভাবে প্রয়োগে পিছপা হতে আমরা কখনো দেখিনি। তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের একনিষ্ঠ সৈনিক। আমরা দেখেছি, গরীব মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ও সার্বিক সমাজ প্রগতি অর্জনে তার প্রচেষ্টা আজও নিরলস এবং বহমান। তিনি আজ পর্যন্ ত লাগাতার অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে চলেছেন আগামী দিনেও তা অব্যাহত থাকবে, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।  কারণ এই অকৃতদার ব্যক্তির তার কোনো পিছুটান নেই, আজ তার পরিবার সারাবাংলা তথা মাতৃভূমি ভারতবর্ষ। তিনি এখন আমার, আপন...

রায়গঞ্জের রাধাগোবিন্দ মন্দিরের বার্ষিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন বিধায়ক মোহিত সেনগুপ্ত

রায়গঞ্জের রাধাগোবিন্দ মন্দিরের বার্ষিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন বিধায়ক শ্রী মোহিত সেনগুপ্ত। আজকে রায়গঞ্জের রূপকার মাননীয় বিধায়ক শ্রী মোহিত সেনগুপ্ত মহাশয় রায়গঞ্জের এলআইসি মোড়ের পাশে রাধাগোবিন্দ মন্দিরে বার্ষিক অনুষ্ঠানে তাদের আমন্ত্রণে উপস্থিত হন। উক্ত মন্দির কমিটির সদস্যরা তাকে ফুলের মালা ও কপালে চন্দনের ফোটা দিয়ে সাদরে বরণ করেন এবং ভক্তগনের মধ্যে মায়েরা উলুধ্বনি দিয়ে বরণ করে নেন ও সম্বর্ধনা দেন। উপস্থিত ছিলেন ভক্তগন ও মন্দির কমিটির সদস্য সুবল সরকার ও অমল বাবু এবং বৈদ্যনাথ বাবু। তারা মন্দির সংস্কারের জন্য উদ্যোগ নিয়েছেন এবং বিধায়কের কাছে মন্দির সংস্কারের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়ানোর আবেদন করেছেন। মাননীয় বিধায়ক উপস্থিত মন্দির কমিটির সদস্যদের বলেন যে সরকারিভাবে মন্দির বা মসজিদে সরাসরি কোনো রকম অর্থ সরবরাহ করা যাবেনা, নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবুও আমি চেষ্টা করবো যাতে অন্য কোন ভাবে যদি সাহায্য করা যায় আপনাদের মন্দিরের জন্য। আমি আমাদের সাংসদ কোটার ভিত্তিতে এই মন্দির নির্মাণের সহযোগিতা করার চেষ্টা করবো। কারণ রায়গঞ্জে বয়স্ক মানুষদের থাকার জায়গা নির্দিষ্ট কোন স্থান নেই...